RNI NO. WBBEN/2007/24258

দেশমের তিরের নিশানায় রেফারি

বিশেষ সংবাদদাতা: ফ্রান্সের কোচ হিসেবে ১৪ বছরে তাঁকে বারবার সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। অভিযোগ ছিল, দিদিয়ের দেশম অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক, ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে বেশি মনোযোগী এবং দলে থাকা অসাধারণ সব আক্রমণভাগের খেলোয়াড়কে পুরোপুরি স্বাধীনভাবে খেলতে দেন না। তবে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে নিজের শেষ টুর্নামেন্টে কৌশলগত দিক থেকে সেই অবস্থান কিছুটা বদলেছিলেন দেশম। যদিও সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁর স্বভাবসুলভ গাম্ভীর্য আগের মতোই ছিল।

এই বিশ্বকাপে ফ্রান্স কয়েক সপ্তাহ ধরে দারুণ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে। কিন্তু প্রথম সত্যিকারের শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতেই তারা ছন্দ হারিয়ে ফেলল। মনে হয়েছে এই ম্যাচে ফ্রান্সের আরও একটুদেশমধাঁচেরফুটবলেরই প্রয়োজন ছিল। বরং এই টুর্নামেন্টে দেখা গেছে এমন এক ফ্রান্সকে, যাদের গত এক দশক ধরেই দেখা যেতে পারত। ছন্দ, সৃজনশীলতা ও নান্দনিকতায় ভরপুর এক দল। এমন ফুটবলই অনেকের মনে ১৯৮০এর দশকের শুরুর ও মাঝামাঝি সময়ের দুর্দান্ত ফরাসি দলের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। কেউ আবার এই দলকে ২০০২ সালের পরাক্রমশালী ব্রাজিল দলের সঙ্গেও তুলনা করেন। তবে সেসব তুলনা অসাড় করে দিয়েছে স্পেন। ডালাসে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে পাত্তাই দেয়নি দে লা ফুয়েন্তের দল।অপ্রয়োজনীয়তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বাদ দিলে সেমিফাইনালের এই হারে শেষ হয়ে গেল ফরাসি ফুটবলের দেশমঅধ্যায়ও। গতকাল রাতে ২০গোলেরহারেফাইনালেযেতেনাপারলেওদেশমেরঅর্জনকিন্তুকমনয়।একটিবিশ্বকাপজয়েরপাশাপাশিআরেকটিবিশ্বকাপেরফাইনালওএকটিসেমিফাইনালেতুলেছেনদলকে।ইউরোতেওফ্রান্সকেএকবারফাইনালওএকবারসেমিফাইনালেনিয়েছেন।১৪বছরেপাঁচটিবড়টুর্নামেন্টেরমধ্যেচারটিতেইশেষচারেওঠানিঃসন্দেহেবড়অর্জন।এমনম্যাচশেষেখেলোয়াড়দেরভেঙেপড়ারকথাবলেছেনদেশম।একইসঙ্গেআঙুলতুলেছেনএলসালভাদরেররেফারিইভানবার্টনেরপ্রতিও।প্রথমার্ধেলুকাসদিনিয়েলামিনেইয়ামালকেফাউলকরলেস্পেনকেপেনাল্টিদেনএলসালভাদরেরএইরেফারি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top