নিজস্ব সংবাদদাতা গরুপাচার মামলায় প্রায় বছর আড়াই জেলবন্দি থাকতে হয়েছে তাঁকে। হয়েছিল তিহার যাত্রা। আর তার জন্য দায়ী একমাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার গোলপার্কে ঋত–তৃণমূলের বৈঠকে প্রথমবার যোগ দেওয়ার আগে বোমা ফাটালেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর দাবি, “বীরভূম থেকে সাড়ে ৩ কোটি টাকা রেভিনিউ পেত সরকার। পরে কয়লার জন্য দিনে ৪০ লক্ষ টাকা দিতে হত।” অনুব্রতর ভবিষ্যদ্বাণী, “আগামী দিনে তৃণমূলে আর কেউ থাকবে না। শেষ হয়ে যাবে।”
বীরভূম জেলায় তৃণমূলের সভাপতি হিসেবে বরাবর অনুব্রত মণ্ডল ছিলেন একমেবদ্বিতীয়ম। তাঁর নেতৃত্বে রাঙামাটির দলীয় সংগঠন এতদিন ধরে জেলায় গেরুয়া প্রবেশ রুখে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। এমনকী গরু পাচার মামলায় প্রায় ২ বছর জেলবন্দি থাকার পর জামিনে মুক্ত হয়ে ফিরে জেলা সভাপতির পদটি অটুট রেখেছিলেন মমতার প্রিয় ‘কেষ্ট’। শেষ লোকসভা ভোটেও বীরভূমের দুটি আসন ধরে রেখেছিল তৃণমূল, তাঅনুব্রতরতৈরিশক্তসংগঠনেরউপরদাঁড়িয়েই।পরেঅবশ্যজেলাগোষ্ঠীকোন্দলবাড়তেমমতাবন্দ্যোপাধ্যায়আরএককভাবেকেষ্টরউপরদায়িত্বভারছাড়েননি।বীরভূমেরসংগঠনদেখারজন্যতৈরিকরেদিয়েছিলেনকোরকমিটি।অনুব্রততাতেএকজনসদস্যমাত্রছিলেন।সেইথেকেক্ষোভেরসঞ্চার।এতদিনপরতাপ্রকাশ্যেআসে।
ছাব্বিশের ভোটে ফলাফলের পর দলে ভাঙন নিয়ে অনুব্রতর মন্তব্য ছিল, ‘‘নতুন–পুরনো জানি না, আমি তৃণমূলকে ভালোবেসে দলটা করি। সম্মানের সঙ্গে দলের কাজ করব।” তার কয়েকদিনের মধ্যেই ঋতব্রত শিবিরের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করেন বলে শোনা যায়। গত ১১ জুলাই, আনুষ্ঠানিকভাবে অনুব্রত মণ্ডলকে বীরভূমের জেলা সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছে ঋতব্রত শিবির। এই দায়িত্ব একসময়ে তিনি একাই সামলেছেন। এরপর বুধবার ঋতব্রত শিবিরের বৈঠকেও যোগ দিলেন অনুব্রত।


